Saturday, August 11, 2012

হে আমার বিবর্ণ কবিতা, নূতন কিছু বিবর্ণতা ঢালো..

শূণ্যতা!
একেকসময় শূণ্য দশা প্রকাশে সাহায্য করে।
একেকসময় আবার সে বিবশতা, আচ্ছন্নতা, ঘোর লেগে থাকা উপহার দেয়।

কিছু করা চলে না তখন। ভাবা - সেও তো এক রকম 'করা'। একটা ক্রিয়া। তাও চলে না।

এখন  হয়ত শূণ্যতার ওই দ্বিতীয় দশা চলছে। ঠিক নিশ্চিত নই সেই ব্যাপারে।
এটা ওর মনে হওয়া।

ইতি।



ইতি! ইতি বলে কিছু হয় নাকি!

ইতি মানে তো শেষ! যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ কিছুরই শেষ নেই যে...

কোনো ইতি নেই...

তাও বোধ হয় ইতি হয়। জীবন পাতার একটা একটা পাতা উলটে উলটে একটা করে অধ্যায়ের ইতি হয়...

বয়ে যাওয়া, চলতে থাকার নাম জীবন, যা থেমে যায় -সে মৃত্যু।  

বহতা জল-সে নদী। এগিয়ে চলে সমুদ্রের দিকে। কত বাঁক, কত ভাঙ্গন কত গড়ন। এক কূল সে ভাঙ্গে, উজাড় হয় বসতি, সর্বহারা মানুষেরা চোখের জলে নদীর জোয়ারে আরও জল জুগিয়ে এগিয়ে যায় নতুন মাটির সন্ধানে, অরণ্যের সন্ধানে। এক কূল ভাঙ্গে তো আরেক কূল গড়েও সে। চর পড়ে দূরে কোথাও... দখল হয় চর, চারা বোনা হয় ফসলের, রোপণ হয় বৃক্ষ। নতুন মানুষে ঘর বাঁধে নতুন চরে। স্বপ্ন দেখে, জীবনের স্বপ্ন, ফসলের স্বপ্ন। গোলাভরা ধান আর পুকুর ভরা মাছের স্বপ্ন। উঠোনে একটি দুটি শিশুর কলতান, খুঁটিতে বাঁধা পোয়াতী গরু, হাঁস, মুরগিদের সোহাগী স্বর আর পায়রাদের বকম বকম। খুঁটিতে বাঁধা দড়িতে ঝোলে ভেজা গামছা শাড়ী আর সায়া। 

সময় পাতা ওল্টায় জীবনের, নতুন অধ্যায়ের... নতুন অধ্যায়ে নতুন কাহিনী!

No comments:

Post a Comment