Wednesday, November 28, 2007

একা একা

গানটা উড়িয়ে দিলে তুমি 

কেন জানি না

এমন করে তো তুমি রাগ করো না
বরফের নদীতে একা শুয়ে থাকো
বরফ গলা জলে ছায়া পড়ে দুজনার

কোকিলটা আবার ফিরে এসেছে
সেদিন প্রথম তার ডাক শুনতে পেলাম
বিনিদ্র রাত তখন ভোরের দিকে এগিয়েছে। ব্যাকুল অন্তর আরও ব্যাকুল করে কোকিলটা ডেকেই চলে।

সেবার বড্ড জ্বালাতন করেছে। মাঝরাত থেকে শুরু হত তার ডাকাডাকি। কাকে ডাকত কে জানে। যাকে ডাকত সে কী শুনতে পেত? জানি না!


একা একা আমি হেঁটে যাই,
ভিক্টোরিয়ার চত্তর ধরে,
গোল গোল হাঁটি,
এমাথা ওমাথা,
গোল গোল,
ক্লান্ত হলে বসে পড়ি জলের ধারে..
বেঞ্চগুলো ভেঙে দিয়েছে সব। কেন কে জানে। শীত চলে গিয়েও আবার ফিরে এল বৃষ্টির হাত ধরে। ফিরিয়ে নিয়ে এল ঠান্ডাকে, যাওয়ার আগে। আমি ঘামি, কুল কুল কুলকুল..
বসে থাকি রেলিং এর ধারে,
জলে ছায়া পড়ে,
দুজনার..
আমি এখানে একা..


মোবাইলের স্ক্রিনে তোমার ফটো,
হাসিমুখ ভেসে ওঠে ফ্ল্যাপ খুললেই,
আমি তাকিয়ে থাকি নিষ্পলক,
নি:শ্বাষ ভারী হয়,
বাষ্প জমে চোখে ,
গড়ায় না
উড়ে যায় পায়রা হয়ে
কাঠালীচাপার সুগন্ধে ম ম করে চত্তর..
ফেরার পথ ফুলে ফুলে ঢাকা
আমি ফিরে আসি,


একা একা..



১২-২-২০০৭

1 comment:

  1. না না না আর নয় দুঃখ দুঃখ খেলা
    এবার হাসিমুখ নিশিদিন সারাবেলা

    ReplyDelete