Wednesday, November 28, 2007

এমনি এমনি

ইংরেজীতে ডিক্টেশন চলে মাথার পিছনে। মাথা ভোঁ ভোঁ।
সারাদিন ছুতোরের খুটখুট। র‍্যাদা চলে কাঠে, মাথায়। স্পিরিটের ঝাঁঝালো গন্ধ। এলোমেলো এলোমেলো। ঘরদোর। মাথার ভিতর। এলোমেলো এলোমেলো।

নিউমার্কেট ঘুরে ঘুরে কিছুই না কেনা। স্মৃতির সরনি বেয়ে কলেঙ্গা বাজার। চেনা দোকানের পছন্দের চা। গরুর মাংস, কাফ মাসল। সিনার হাড়। ক্ষিরি গুর্দা। আন্ডার কাটের টুকরো। হাতের ভার বেড়ে চলে। প্লাষ্টিকের ব্যাগ ছেঁড়ে ছেঁড়ে। ক্লান্তি গরমের। সারাদিনের নানা হ্যাপার। ফোলা পা টেনে টেনে উঠে বসি ট্যাক্সিতে। হিমেশ রেশমিয়া গেয়ে ওঠেন, এ হুজুররররররর... তেরা তেরা তেরা সুরুরররররররর... 

বিনীত নিবেদন, গানটা বন্ধ করুন। হিমেশের ভক্ত হিন্দুস্তানি ট্যাক্সিওয়ালা গাড়ি দাঁড় করায় রাস্তার ধার ধরে।
আমি নেমে আসে অন্ধকার রাস্তায়। অন্য ট্যাক্সির খোঁজে। এবং কোন ট্যাক্সিই না পেয়ে অগত্যা বাসের জন্যে আধঘন্টা বেজার মুখে দাঁড়িয়ে থাকি রাস্তায়। ফোনে পরামর্শ পাই, ট্যাক্সির নম্বর নিয়ে পুলিশে কমপ্লেন কর! হায়! পুলিশে কমপ্লেন! দুইহাতভর্তি গরুর গোশত, মাথার ভিতরে ঝনঝন ঝনঝন। পুলিশে কমপ্লেন!
ডিক্টেশনের সাথে চলে লেহার কুড়কুড়ে। অ্যাকোয়াগার্ড জল দেয় টুং টাং টুং টাং শব্দে। শাকিরা একমনে গেয়ে চলে ল্যাপিতে।


আমার আঙুলগুলো কি-বোর্ডে ঘুরে বেড়ায় এদিক ওদিক...






১২-৫-২০০৭


No comments:

Post a Comment