Monday, November 12, 2007

১৩তম চলচ্চিত্র উত্ সব ও আমার সিনেমা দেখা

তিনমাস আগে থেকে শুভজিতকে বলে রেখেছিলাম, ও যখন ওর ফিল্ম ফেষ্টের পাস পাবে তখন যেন আমার জন্যেও একটা পাস যোগাড় করে রাখে অতি অবশ্যি। দেখা হলেই রিমাইন্ডার দিয়েছি এমনকি ফোন করেও মনে করিয়ে দিয়েছি পাসের কথা। যা হয়। করে দেব বলেও শেষ অব্দি করে দেওয়া আর হয়ে ওঠে না। শেষে শুভ নিজের পিঠ বাঁচায় এই বলে, কত্তাকে বল না বাবা, ফিল্মের লোক ঘরে রেখে পাসের জন্যে চিন্তা করছ! কত্তার আবার ব্যপার আছে, নিজের পাসটা পেয়ে যান, কিন্তু অন্য কারোর জন্যে পাসের ব্যবস্থা করতে গেলে অনুরোধ করার ব্যপার আছে বলে সেদিকে যেতে চান না। গতকাল ফেষ্টিভ্যাল উদ্ভদোনের দিন অব্দি পাসের কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় মন বেশ খারাপ ই ছিল। গতবছরের উত্সবের সিনেমা দেখার জন্যে কলকাতার এমাথা ওমাথা দৌঁড় করেছি তাতে পয়সা তো পয়সা পরিশ্রমও যথেষ্টও হয়েছে। সান্ধ্যকালীন ভ্রমণে গিয়ে নন্দনের একজনের কাছ থেকে একটা ফর্মের ব্যবস্থা শেষ অব্দি হয়, ফর্মের চারশো প্লাস অলিপাবে ৬০০টাকার বিল দিয়ে। আমার হাতে ফর্ম আসে রাত সারে বারোটায়, শাহজাদী খুশ ফর্ম হাতে পেয়ে এখন এক হপ্তা শুধু সিনেমা ...


সিনেমা দেখলাম আজকে ৬টা যার মধ্যে ২টো শর্ট। ডার্ক নাইট আর টু অন ব্রীজ। প্রথমটি খুবই ভালো লেগেছে, দ্বিতীয়টি বেশ মজার। ( পরে এই লেখাতেই সিনেমাগুলির একটু ডিটেল যোগ করে দেব) ।


ফার্নান্ডো ই সোলানাসের দ্য ক্লাউড, জাফার পানাহির অফসাইড, ব্রাজিলের সিনেমা আই রিমেম্বার, আমাস গিতাইয়ের প্রমিসড ল্যান্ড।খুব ভালো লেগেছে অফ সাইড। সিনেমা দেখতে গিয়ে কোন চাপ নেই। আমাস গিতাইয়ের সিনেমা আমি পুরোটা দেখতে পারিনি, হল ছেড়ে পালিয়ে এসছি শেষের খানিকটা বাকি থাকতে। গরু ছাগলের মত নিলামে কিনে নিয়ে একদল মেয়েকে পাচার করার গল্প।


সিনেমার গল্প সময় নিয়ে লেখার ইচ্ছে রইল।

No comments:

Post a Comment